এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে বেঁচে থাকার লড়াই করছে ইয়েমেনের বাসিন্দারা। তীব্র শ্রম সংকটে ভুগছে দেশটি। জীবিকার সন্ধানে শহরে এসে ভিড় করছে লাখ লাখ মানুষ। রাজধানী সানার সড়কে কাজের সন্ধানে ঘুরছে শ্রমিকরা।
মাসের পর মাস কাজ না পেয়ে কোনোরকমে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। পরিবারের ভরণপোষণ অসম্ভব হয়ে উঠেছে অনেক দিনমজুরের। নির্মাণ ও পরিষেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর কাজ কমে গেছে বহুগুণ। এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটে বেড়েছে নিত্যপণ্যসহ সব জিনিসের দাম।
আরও পড়ুন:
এমন অবস্থায় যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে কোরবানি ঈদ ঘিরে নেই বাড়তি আমেজ। কোরবানির পশুর দামও আকাশছোঁয়া। ইয়েমেনের বেশিরভাগ পরিবারেরই এবার কোরবানির পশু কেনার সামর্থ্য নেই। গরু, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বার দাম অনেকেরই ক্রয়ক্ষমতার নাগালের বাইরে।
তারপরও রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের বিভিন্ন শহরের বাজারগুলোতে জমে উঠেছে পশুর হাট। বিক্রেতারা বলছেন, এবার স্থানীয় পশু পালন বাড়ায় হাটে গরু ও ভেড়ার সরবরাহ গত বছরের তুলনায় বেশি। তবে অতিরিক্ত দামের কারণে বেচাকেনা নেই খুব একটা।
ক্রেতারা জানান, গত বছর যে ছাগলের দাম ছিল ৯০ হাজার ইয়েমেনি রিয়াল এবার সেটির দাম ১ লাখ ৩০ থেকে দেড় লাখ রিয়াল। এক বছরের ব্যবধানে একেকটি গরুর দামও বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।




