চারপাশে শুধু রংবেরঙ্গের তুলোর পুতুল। চীনের আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি শিল্প মেলায় পপ সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করছে এই সব খেলনা। সবার আকর্ষণও তাই খেলনা পুতুলের দিকে। যেমন ভিড় করছেন স্থানীয়রা, আগ্রহের কমতি নেই ভিনদেশিদেরও।
এ বছরের মেলায়, প্রাচীন চীনা ক্লাসিক ‘শান হাই জিং’ থেকে নেয়া স্বপ্নখেকো টাপির আদলে বানানো খেলনাটি ক্রেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও ক্রেতাদের আকর্ষণের কেন্দ্রে আছে অস্ট্রিচপিলো, যা বালিশ হিসেবেও ব্যবহার করা চলে। পাওয়ার-ন্যাপ নেয়া ছাড়াও ব্যবহারকারীর আবেগ জড়িয়ে থাকে এসব পুতুল বালিসের সঙ্গে। রয়টার্স জানিয়েছে, যে সব চীনা খেলা বাইরে পাঠানো হয় ৩০ শতাংশই ঘুমের বালিশ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ছাড়াও যা রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে।
দেখা যাচ্ছে, ২০২৬ সালে চীনের খেলনা শিল্পের মোট মূল্য ১১০ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউয়ান বা ১৬ দশমিক ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে। এসব খেলনার গড় বার্ষিক বৃদ্ধির হার ২০ শতাংশের বেশি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাপক উদ্ভাবন, আধুনিকায়ন, পণ্য সরবরাহ এবং যোগাযোগ মডেলের কারণে ‘মেড ইন চায়না’ লেখা খেলনার বাজার আজ সবাইকে টেক্কা দিচ্ছে।
খেলনা ছাড়াও মেলায় প্রদর্শিত হচ্ছে অলংকার, ঘর সাজানোর নানা সামগ্রীসহ চীনা সংস্কৃতির নানা উপকরণ।




