আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। তবে চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলি এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।
ট্রাম্পের এমন কঠোর মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, শান্তি আলোচনার প্রক্রিয়া চললেও তেহরানের ওপর সামরিক চাপের কৌশল থেকে তিনি সরছেন না। মূলত দর-কষাকষিতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতেই ট্রাম্প এই যুদ্ধের হুমকি বজায় রেখেছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এছাড়া জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে সমঝোতার প্রভাব নিয়ে ট্রাম্প বলেন, এই খবরে বিশ্ববাজার ‘উন্মাল’ হয়ে উঠেছে এবং শেয়ারবাজারের সূচক আকাশচুম্বী হয়েছে। অন্যদিকে, জ্বালানি তেলের দাম নাটকীয়ভাবে কমেছে। ট্রাম্পের আরও বলেন, ‘কথার চেয়ে কাজের ফলাফলই এখানে বেশি জোরালোভাবে কথা বলছে।’ মূলত তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধের উত্তেজনা প্রশমন হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করেন তিনি।





