আইসিআরসির তথ্য অনুযায়ী, উত্তর ও দক্ষিণ কিভু প্রদেশে তাদের সমর্থিত পাঁচটি হাসপাতালে গত এক মাসে (১৫ মে থেকে ১৫ জুন) ৩০৩ জন যুদ্ধাহত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এটি আগের মাসের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি। এদিকে কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মে বিরল ‘বুন্দিবুগিও’ স্ট্রেনের ইবোলা শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে এবং মারা গেছেন ১৯৬ জন।
আইসিআরসি সতর্ক করেছে যে ইবোলা মহামারি মোকাবিলায় মনোযোগ দিতে গিয়ে যেন সশস্ত্র সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি চাহিদার বিষয়টি আড়ালে না পড়ে। সংস্থাটির কঙ্গোভিত্তিক মেডিকেল কো-অর্ডিনেটর মুসা বাজি বলেন, ইবোলা সংকটের মধ্যেও সংঘাতজনিত আহতের সংখ্যা কমেনি। অস্ত্রোপচারকারী দলগুলো দিনরাত আহত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ কিভুর বুকাভু, উভিরা ও ফিজি এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৭০ জন সংঘাতজনিত হতাহতকে ভর্তি করা হয়েছে।
আইসিআরসির কঙ্গো প্রতিনিধি দলের প্রধান ফ্রাঁসোয়া মরেলিয়ন বলেন, ‘সশস্ত্র সংঘাত ও মহামারির এই জোড়া আঘাত বিধ্বংসী হতে পারে।’ তিনি যুধ্যমান পক্ষগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণ করার এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে সহযোগিতার আহ্বান জানান। বর্তমানে এই ভাইরাসটি ইজুরি, উত্তর কিভু ও দক্ষিণ কিভু প্রদেশে ছড়াচ্ছে, যার মধ্যে ইজুরি প্রদেশেই ৯৫ শতাংশ রোগী শনাক্ত হয়েছে। ‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস’ জানিয়েছে, প্রাদুর্ভাব শুরুর এক মাস পার হলেও নজরদারি, রোগ নির্ণয় ও জনসচেতনতার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি রয়ে গেছে।





