আল-জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সালামি বলেন, ‘ইসরাইল যে এই চুক্তিতে খুশি নয়, তা স্পষ্ট।’ ইসরাইলি নেতারা এই চুক্তির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে চুক্তিতে হিজবুল্লাহর অস্ত্র এবং লেবাননে তাদের ভূমিকা ইসরাইলকে সন্তুষ্ট করার মতোভাবে আলোচিত হয়নি বলে এই অসন্তোষ। তিনি আরও বলেন, ‘এই আলোচনায় ইসরাইল মূলত একজন বাধা সৃষ্টিকারীর মতো আচরণ করছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি ভেস্তে দেয়ার চেষ্টা করছে।’
ইসরাইলের এই অবস্থানের সঙ্গে তেহরানের সুরের পরিবর্তনের তুলনা টানেন সালামি। তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আমরা ইরানিদের কাছ থেকে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য তাদের ইচ্ছার কথা শুনছি।’ অন্তত গত চার দশকেও ওয়াশিংটনের কাছ থেকে এমন বার্তা পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আগামী সপ্তাহে ইসরাইল-লেবাননের মধ্যে অনুষ্ঠেয় আলোচনা পরিস্থিতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আগামী সপ্তাহটি হবে নির্ণায়ক একটি সময়, যখন আমরা ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত অভিপ্রায় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবো।’





