দেসি বলেন, ‘ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েরই স্বার্থ হলো এই উত্তেজনাকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে না দেয়া। তবে সমঝোতা প্রক্রিয়া চলাকালে আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা বারবার দেখা যেতে পারে, যা একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।’ এই বিশেষজ্ঞের মতে, উভয় পক্ষই এখন এটি প্রমাণ করতে চাইছে যে, হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব কেবল তাদের হাতেই রয়েছে।
এদিকে তেহরান ইউনিভার্সিটির গবেষক মোহাম্মদ এসলামি বলেন, ‘ইরানের দক্ষিণ উপকূলে মার্কিন হামলার পর উভয় পক্ষই এখন নিজেদের বিজয়ী হিসেবে দাবি করার চেষ্টা করছে।’ ইরান সতর্ক করে বলেছে যে, মার্কিন এই হামলা যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন। তার মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই একটি কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর লক্ষ্যে অস্পষ্ট বা সীমিত পরিসরে হামলা চালানোর পথ বেছে নিয়েছে।
ইরান ইতিমধ্যে তার সশস্ত্র বাহিনীকে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিরক্ষামূলক হামলার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে দেশটি পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ তীরের দেশগুলোকে সতর্ক করেছে যাতে তাদের ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহৃত হতে না দেয়া হয়।
এসলামি আরও জানান, ইরান হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জলপথ হিসেবে মেনে নিতে নারাজ এবং তারা অন্য দেশগুলোকে একটি নতুন কাঠামো মেনে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করছে। ইরানের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিনিময়ে ফি বা মাশুল দিতে হবে।





