আজ (শনিবার, ২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় এ ঘটনার প্রায় ৬ ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম থেকে ফিরে এসে ওই শিশুকে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। ততক্ষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দেয় এ ঘটনা। প্রশ্ন উঠে পরিবারটির সচেতনতা নিয়েও।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন বলেন, ‘আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিদেশি ওই পরিবারের সদস্যরা আমাদের রেস্টুরেন্টে নাশতা করতে আসেন। ঘণ্টাখানিক পর তারা যখন সেখান থেকে চলে যান তখন একটি বাচ্চাকে আমরা একা একা দেখতে পাই। কিন্তু সে কোনো কথা বলে না, নামও বলতে পারে না। তখন বুঝতে পারি ওই পরিবারটি ভুলে তাকে ফেলে চলে যায়। তাৎক্ষণিক আমরা বিষয়টি সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অবহিত করি।’
আরও পড়ুন:
এ ঘটনায় রেস্টুরেন্টের একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিদেশি পরিবারটি প্রায় ১৫ জন সদস্য নিয়ে দুটি গাড়িতে করে এসে জাইতুন রেস্তোরাঁয় বসে নাশতা করছেন। এ সময় তারা গল্প-আড্ডায় মেতে ছিলেন। যাওয়ার সময় ভুলক্রমে বাচ্চাটিকে রেস্টুরেন্টের ভেতরে ফেলেই চলে যায় পরিবারটি।
বিষয়টি নিয়ে দুপুর আড়াইটায় পুনরায় লুৎফুর রহমান রিপনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে নাশতা করে ওই পরিবারটি চট্টগ্রাম পর্যন্ত চলে গিয়েছিলো। তারা যে দু’টি গাড়িতে এসেছে তার একটিতে বাচ্চা মা এবং অপরটিতে বাচ্চার বাবা ছিলো। তাদের একজন ভেবেছে অপরজনের কাছে আছে। পরে আমাদের পেইজে ফেসবুক পোস্ট তাদের নজরে আসলে কিছুক্ষণ পূর্বে তারা বাচ্চাটিকে নিতে আসে।’
পরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়ের উপস্থিতিতে শিশুটিকে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।




