চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৪ দফার শান্তি পরিকল্পনায় বলা হয়েছিল যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ‘কোনো মাশুল ছাড়াই’ নিরাপদে চলাচল করবে। তবে চুক্তির অন্যান্য শর্তের মতো এটিও কেবল ৬০ দিনের আলোচনা চলাকালীন সময়ের জন্য প্রযোজ্য। সেই সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবেই ইরান ও ওমানকে এই জলপথের ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
শত শত বছর ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে জাহাজগুলো কোনো মাশুল ছাড়াই যাতায়াত করে আসছে। এখন নতুন এই ‘বিজনেস মডেল’ বা ব্যবসায়িক কাঠামো কার্যকর হলে দীর্ঘদিনের সেই প্রথা ভেঙে যাবে। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওমান চাচ্ছে এই মাশুল যেন ‘স্বেচ্ছামূলক’ হয়, কিন্তু ইরান এটি সবার জন্য ‘বাধ্যতামূলক’ করার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে মাশুল আরোপের যেকোনো সিদ্ধান্ত বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।





