বৈঠকে গুরুত্ব পাবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ইরানের জব্দ হওয়া সম্পদ এবং পারমাণবিক ইস্যু। তবে দু’দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে এবারের আলোচনা সরাসরি হবে নাকি পরোক্ষ এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত করেনি কোন পক্ষই। তেহরানের পক্ষ থেকে এ বৈঠকে কে বা কারা প্রতিনিধিত্ব করবে সে বিষয়ে খামেনির দাফনের পরে জানানো হবে।
এর আগে গেলো ১৮ জুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারকে সই করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এর ৪ দিন পর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছায় দু’দেশ।





