উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ (শনিবার, ১১ জুলাই) এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে, ন্যাটো নেতারা পিয়ংইয়ংয়ের বৈধ সার্বভৌম অধিকার চর্চাকে ‘হুমকি’ হিসেবে তুলে ধরছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-তে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, এই জোট অস্ত্র ব্যয় বৃদ্ধি এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে সংঘাতের পথ বেছে নিয়েছে।
গত মঙ্গলবার তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় ও শিল্প চুক্তির ঘোষণা দেয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বড় অংশ মিত্র দেশগুলোকে বহনের চাপের মধ্যেই এই ঘোষণা আসে। সম্মেলনের ফাঁকে উত্তর কোরিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মায়ুং বলেন, তিনি আশা করেন সিউল ন্যাটোর সঙ্গে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অস্ত্র তৈরিতে সহযোগিতা আরও বাড়াবে।
উত্তর কোরিয়া দাবি করেছে, এই সম্মেলন প্রমাণ করে যে ন্যাটো একটি যুদ্ধ ও সংঘাতমুখী সংস্থা। পিয়ংইয়ংয়ের মতে, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রচেষ্টা এখন অন্য দিকে ঘোরানো উচিত। তারা মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর ছত্রচ্ছায়ায় দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা এবং ন্যাটোর পারমাণবিক অংশীদারিত্বের বিষয়টিই এখন প্রধান উদ্বেগের হওয়া উচিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। গত শুক্রবার কেসিএনএ জানিয়েছিল, দেশটির নেতা কিম জং উন সামরিক বাহিনীকে আধুনিক করার আহ্বান জানানোর পর উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক শক্তি ‘গুণগত ও পরিমাণগতভাবে’ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।





