রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) দাবি, ইরানশহরে ইরানি সেনাদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে সিরিয়ার আল-তানফে অবস্থিত মার্কিন বিশেষ অভিযান কমান্ড সেন্টারে তারা হামলা চালিয়েছে।
তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। সিরিয়ার একটি সামরিক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরান তানফের কাছে একটি হামলা চালিয়েছে ঠিকই, তবে সেটি ঘাঁটিতে সরাসরি আঘাত করেনি। সূত্রটি জানায়, এই হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
সিরিয়া, জর্ডান ও ইরাকের ত্রিদেশীয় সীমান্তের সংযোগস্থলে অবস্থিত আল-তানফ ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে গত ফেব্রুয়ারিতে জানিয়েছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী।
আরও পড়ুন:
আঞ্চলিক এই সংঘাত থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করছে সিরিয়া। যদিও প্রতিবেশী লেবাননে হিজবুল্লাহ ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছে। ইরাকেও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ড্রোন ও রকেট হামলা চালাচ্ছে।
গত মার্চে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেছিলেন, তার দেশ আক্রান্ত না হলে কোনো সংঘাতের বাইরে থাকবে। লন্ডনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শারা বলেন, ‘সিরিয়াকে যদি কোনো পক্ষ লক্ষ্যবস্তু না করে, তবে সিরিয়া যেকোনো সংঘাতের বাইরে থাকবে।’
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির পুরো নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে রয়েছে। যতদিন মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকবে, ততদিন এই নৌপথ দিয়ে কোনো তেল বা গ্যাস রপ্তানি হবে না। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।




