আইওএম জানিয়েছে, ১৪ জুলাই পর্যন্ত কঙ্গো ও প্রতিবেশী উগান্ডায় ২ হাজারের বেশি ইবোলা আক্রান্ত এবং ৭০০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। মৃতদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ক্লিনিক বা হাসপাতালের বাইরে মারা গেছেন।
প্রায়শ প্রাণঘাতী এই ভাইরাসজনিত রোগটি সংক্রমিত মানুষ বা প্রাণীর দেহরসের সরাসরি সংস্পর্শে ছড়ায়। এতে উচ্চ জ্বর, বমি এবং শরীরের অভ্যন্তরে ও বাইরে রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। বর্তমান এই প্রাদুর্ভাবটি ভাইরাসটির বান্দিবুগিও ধরন থেকে ছড়িয়ে পড়ছে।
মৃত্যুর পরও ইবোলা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক থাকে। ফলে প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার রীতিনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আইওএমের অ্যান্ড্রু এমবালা বলেন, ‘আমরা যদি মরদেহগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনা না করি, যদি স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত না করি, তাহলে জনসাধারণের মধ্যে সংক্রমণ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়বে।’
আইওএমের কর্মকর্তারা জানান, কঙ্গোর ভেতরে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় মরদেহ পরিবহন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ পরিবারগুলো নিজেদের স্বজনদের নিজ এলাকায় সমাহিত করতে চাচ্ছে।
এমবালা বলেন, ‘এখনো অন্য কোনো দেশে মরদেহ পাঠানোর ঘটনা ঘটেনি। তবে দেশের ভেতরে বহু মরদেহ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেয়ার ঘটনা দেখা গেছে।’
আইওএম সতর্ক করে বলেছে, মরদেহগুলো যদি নিরাপদভাবে না নাড়াচাড়া করা হয়, তাহলে এই ধরনের চলাচল ভাইরাসটিকে নতুন এলাকায় বহন করে নিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।





