আজ (শুক্রবার, ২৪ জুলাই) নয়া দিল্লির ভিঠাল প্যাটেল হাউসে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অচলাবস্থা কাটানো এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে উভয় পক্ষ আগামী শনিবার দুপুরে তৃতীয় দফায় আলোচনার টেবিলে বসতে সম্মত হয়েছে।
সরকারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং ড. জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে, আন্দোলনকারী দল সিজেপির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন দলের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।
সরকারপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকের সময় সিজেপি প্রতিনিধিদল পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও সার্বিক অনিয়ম দূর করতে ৫টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশসহ ৩টি মূল দাবি উপস্থাপন করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা জানান, সিজেপির উত্থাপিত দাবি ও সুপারিশগুলো নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণ আলোচনা-পর্যালোচনা করবে এবং শনিবারের পরবর্তী বৈঠকে তাদের সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানাবে।
আরও পড়ুন:
তবে বৈঠক শেষে সিজেপি নেতৃত্ব তাদের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের প্রথম ও প্রধান দাবি হলো কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ বা বরখাস্তকরণ।
সিজেপি নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কোনরকম আপস করা হবে না। তারা সরকারকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এ বিষয়ে যেন শনিবার বিকেলের মধ্যেই চূড়ান্ত জবাব দেয়া হয়।
আলোচনায় দিল্লি পুলিশ কর্তৃক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন ও আটকের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তোলে সিজেপি। দলটি অভিযোগ করে, মূল আন্দোলনস্থলে যাওয়া বা সেখান থেকে ফেরার পথে সাধারণ শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, আইনজীবী; এমনকি আন্দোলনকারীদের খাবার সরবরাহকারী ব্যক্তিদেরও বেআইনিভাবে আটক করছে দিল্লি পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে এসব আটক অভিযানের বিষয়ে নিজের অজ্ঞতার কথা জানালেও, সরকার সিজেপি প্রতিনিধিদলকে আস্বস্ত করেছে, এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে তা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং এ বিষয়ে দিল্লি পুলিশকে কঠোর নির্দেশ দেয়া হবে।





