আহমদ ওয়াহিদি – আইআরজিসি কমান্ডার
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ওয়াহিদিকে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করে আইআরজিসি-র কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি ২৮ ফেব্রুয়ারির বিমান হামলায় নিহত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। কট্টরপন্থি হিসেবে পরিচিত ওয়াহিদি এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। মুজতবা খামেনি তাকে আইআরজিসি-র প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার এবং শত্রুর বিরুদ্ধে ‘শক্তিশালী আক্রমণাত্মক অভিযান’ পরিচালনার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
আলী আবদুল্লাহি – সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ
মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহিকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি একই বিমান হামলায় নিহত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল রহিম মৌসাভির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। যুদ্ধ চলাকালীন তিনি সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন।
আলী ওজমায়ি – আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার
অ্যাডমিরাল আলী ওজমায়িকে আইআরজিসি-র নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মার্চে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত আলিরেজা তাংসিরির স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি। উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক অভিযানের দায়িত্ব থাকবে তার ওপর।
হোসেইন তায়েব – বাসিজি কমান্ডার
আইআরজিসি-র গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান হোসেইন তায়েবকে বাসিজি বাহিনীর প্রধান করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমনে ব্যবহৃত এই স্বেচ্ছাসেবী আধা-সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন তিনি।
কিওমার্স হেইদারি – উপ-চিফ অব স্টাফ
ইরানের সেনাবাহিনী আর্তেশ-এর স্থল বাহিনীর সাবেক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিওমার্স হেইদারিকে উপ-চিফ অব স্টাফ পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
মোস্তফা ইজাদি – আইআরজিসি উপ-কমান্ডার
আইআরজিসি-র নতুন উপ-কমান্ডার-ইন-চিফ হয়েছেন মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি। তিনি ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
উল্লেখ্য, এই নিয়োগগুলোর একদিন আগে মুজতবা খামেনি আইআরজিসি-র সাবেক প্রধান মোহসেন রেজায়িকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ইরান-ইরাক যুদ্ধের বেশির ভাগ সময় জুড়ে আইআরজিসি-র কমান্ডার ছিলেন মোহসেন রেজায়ি।





