পেসকভ বলেন, ‘এই মুহূর্তে কিয়েভের শাসনব্যবস্থার অবস্থান বিবেচনায় শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আশাবাদের কোনো ভিত্তি নেই। ফ্রন্টলাইনের পরিস্থিতি সবার জানা। বিশেষ সামরিক অভিযান চলমান।’
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা ও ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে পেসকভ বলেন, সংঘাত মেটাতে আন্তরিকভাবে কাজ করতে আগ্রহী দেশগুলোর প্রচেষ্টাকে রাশিয়া গুরুত্ব দেয়। তিনি বলেন, ‘সব দেশের প্রচেষ্টাকেই আমরা মূল্য দিই, যারা আন্তরিকভাবে সমাধান প্রক্রিয়ায় অবদান রাখতে চায়। এমন দেশের সংখ্যা কম, তাই তাদের উদ্যোগ আরও গুরুত্বপূর্ণ।’
যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সম্ভাব্য রাশিয়া সফর নিয়ে প্রশ্নের জবাবে পেসকভ বলেন, তারা রাশিয়ায় ‘সব সময় স্বাগত’, তবে সফরের কোনো তারিখ ঠিক হয়নি। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকেরা সম্ভবত দেশটির পররাষ্ট্রনীতির অন্য ইস্যু নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
ইউক্রেনের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইল ফেদোরোভের একটি ভিডিও বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে পেসকভ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আগের মন্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করেন। তিনি বলেন, ‘সেখানে অনেকেই স্বাভাবিকভাবেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। কেউ গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের কথা টানে, কেউ তা টানার চেষ্টাও করে না।’
ইউরোপের অবস্থান নিয়ে পেসকভ বলেন, ইউক্রেনকে সহায়তা দেয়া নিয়ে কিছু দেশে ক্লান্তির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যদিও কয়েকটি দেশ এ প্রবণতা ঠেকাতে চায়। তিনি বলেন, ‘এমন প্রবণতা আছে। তবে এটিকে বাড়িয়ে দেখা ঠিক হবে না। ইউরোপে কিছু দেশ এখনো এই যুদ্ধে জড়িত থাকা বাড়াচ্ছে—প্রত্যক্ষভাবে, প্রযুক্তিগতভাবে, কারিগরি নানা দিক থেকে। উদাহরণ হিসেবে ব্রিটেনের কথা বলা যায়।’
পুতিনের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ নিয়ে পেসকভ জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর কিরগিজস্তানের বিশকেকে ‘সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও)’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন। তবে সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
এদিকে, রাশিয়ায় অনুষ্ঠান করতে আসা মার্কিন র্যাপার ক্যানিয়ে ওয়েস্টের সঙ্গে পুতিনের সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পেসকভ বলেন, ‘দয়া করে ছেড়ে দিন, এটা আমাদের বিষয় নয়।’





