স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় (জিএমটি ১৮:০০) ভূমিকম্পটি হয়। উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০৮ কিলোমিটার গভীরে। আইজিপির ‘ন্যাশনাল সিসমোলজিক্যাল সেন্টার’ (সেনসিস)-এর হিসাবে, আয়াকুচো বিভাগের পারিনাকোচাস প্রদেশে কোরাকোরা শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল।
ভূকম্পবিদদের মতে, গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পনের শক্তির একটি বড় অংশ ভূপৃষ্ঠে ওঠার আগেই ক্ষয় হয়েছে। ফলে কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি এলাকায় মারক্যালি স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩ থেকে ৪, অর্থাৎ হালকা থেকে মাঝারি কম্পন।
দক্ষিণ ও মধ্য পেরুর বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পটি স্পষ্টভাবে টের পাওয়া যায়। রাজধানী লিমা থেকেও বাসিন্দারা কম্পনের কথা জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে ভূকম্পন তৎপরতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে আইজিপি জনগণকে সতর্ক থাকতে, বাসাবাড়ির সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা দেখে নিতে এবং জরুরি সরঞ্জামের কিট প্রস্তুত রাখতে বলেছে।
পেরু ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’ এলাকার মধ্যে থাকায় সেখানে ঘনঘন ভূমিকম্প হয়। সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে বড় ভূমিকম্পের একটি ২০০৭ সালে ইকা অঞ্চলে ৭ দশমিক ৯ মাত্রায় আঘাত হানে; এতে প্রায় ৬০০ মানুষের মৃত্যু হয়।





