এই তালিকায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আছে বলেও জানিয়েছে নেপালের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন দেশের ২৮৯ পর্যটককে।
আর ত্রিশূলীসহ জলবিদ্যুৎগুলোতে আটকা পড়া কয়েকশ শ্রমিকদের উদ্ধারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছে চীন-ভারতের বিশেষজ্ঞ দল।
আরও পড়ুন:
উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ভারী যন্ত্রপাতির সাহায্যে সুড়ঙ্গের প্রবেশপথের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে। এদিকে, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দৃশ্যমান হচ্ছে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি।
এখনও বিদ্যুৎহীন রসুয়া জেলার বাসিন্দারা। পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ফুরিয়ে আসছে খাবারের রসদ। অন্যদিকে, মর্গে মরদেহের বাড়তি চাপ ও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায়; অজ্ঞাত পরিচয়হীন মরদেহগুলোকে গণকবর দিচ্ছে নেপাল সরকার।




