ব্রিটিশ রাজনীতিতে আবারও বড় পরিবর্তন। পার্লামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ১১ বছর এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর লন্ডনের হোলবর্ন ও সেন্ট প্যানক্রাস আসন ছাড়ছেন তিনি।
স্থানীয় সংবাদপত্র ক্যামডেন নিউ জার্নালকে দেয়া সাক্ষাৎকার এবং অনলাইনে প্রকাশিত বিবৃতিতে স্টারমার জানান, পার্লামেন্টের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এখন তিনি আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দিতে চান। বিশেষ করে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এছাড়াও নারী ও কন্যা শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা মোকাবিলায় নিজের দীর্ঘদিনের কাজও চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন সাবেক এই লেবার নেতা। এদিকে নিজের নির্বাচনী এলাকার কাজের কথাও বিদায়ী বিবৃতিতে তুলে ধরেন স্টারমার। তাঁর এমন ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জেগেছে স্টারমার কি ব্রিটিশ রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে পথচলা শুরু করবেন? অবশ্য সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছুই জানা যায়নি।
এদিকে স্টারমারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে বিরোধী শিবিরে। কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান কেভিন হলিনরেক বলেন, প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়লেও স্টারমার তার এমপি পদে বহাল থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখন আবার 'ইউ-টার্ন' নিয়েছেন।
স্টারমারের এই পদত্যাগের ফলে হোলবর্ন ও সেন্ট প্যানক্রাস আসনে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন। আর লেবার পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে এবার বড় রাজনৈতিক পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সরকার। কেননা সাম্প্রতিক সময়ে লন্ডনে গ্রিন পার্টির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ফলে স্টারমারের বিদায়ের পর আসনটি ধরে রাখা লেবার সরকারের জন্য আগের মতো সহজ নাও হতে পারে।





