বুধবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। সংক্রমণ শনাক্ত ও তা মোকাবিলার উদ্যোগের চেয়েও রোগটি অনেক দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। চিকিৎসা ইতিহাসে এটিই ইবোলার সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল প্রাদুর্ভাব।
দেশটির পূর্বাঞ্চলে সংঘাতময় পরিস্থিতি, স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, খনি শ্রমিকদের ঘন ঘন স্থানান্তর এবং অপ্রতুল স্বাস্থ্য অবকাঠামোর কারণে এই সংক্রমণ লাগামহীন হয়ে উঠেছে। এর মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ায় শ্রেণিকক্ষের মাধ্যমেও ভাইরাসটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে, তাতে এটি ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পশ্চিম আফ্রিকার প্রাদুর্ভাবকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ওই সময় পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
চলমান এই প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বিরল বুন্দিবুগিও ভাইরাসের কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে কঙ্গো সরকার এর্বোভো টিকা বিতরণ করছে, যা ইবোলার আগের ধরনগুলো প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এই টিকা কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। ইতিমধ্যে কঙ্গোর ছয়টি প্রদেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে।





