
কঙ্গোতে ইবোলা মহামারি: নিয়ন্ত্রণে জনসহযোগিতার আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) ছড়িয়ে পড়া ইবোলা মহামারি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনগনের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন এবং এটি ‘সবার দায়িত্ব’ বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কঙ্গো ও উগান্ডায় বাড়ছে ইবোলা ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা
কঙ্গো ও উগান্ডায় বাড়ছে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশ দুটিতে ২শ' ২৩ জনের মৃত্যু এবং প্রায় এক হাজার সন্দেহভাজন রোগীর খবর দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এছাড়া ব্রাজিলে সন্দেহভাজন ইবোলা আক্রান্তের ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ইবোলা আতঙ্কে সীমান্ত যোগাযোগ বন্ধ উগান্ডার
মরণব্যাধি ভাইরাস ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে কঙ্গো ও উগান্ডায় প্রাণহানি এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দেড়শো জনে। আর এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। এরইমধ্যে, কঙ্গো উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রুয়ামপারা শহরে এক ইবোলা রোগীর দাফন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় বিক্ষোভাকারীরা চিকিৎসা নেয়ার তাঁবুতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্ষুব্ধ জনতাদের লক্ষ্য করে গুলি ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। এদিকে ইবোলা সংক্রমণের কারণে সীমান্তবর্তী ফেরি, আন্তঃসীমান্ত বাস ও বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে উগান্ডা।

কঙ্গোতে ইবোলা পরিস্থিতির অবনতি; জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষামূলক টিকার কথা ভাবছে ডব্লিউএইচও
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের ‘বুন্দিবুগিও’ স্ট্রেনটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজ্ঞানীরা এখন উন্নয়ন পর্যায়ে থাকা পরীক্ষামূলক টিকা বা ওষুধ ব্যবহারের কথা ভাবছেন। ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানোম গেব্রেয়াসুস জানিয়েছেন, দেশটিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০০ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং প্রাণহানি বেড়ে ১৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কঙ্গোতে ইবোলার সংক্রমণে বাড়ছে মৃত্যুহার; জরুরি বৈঠকে বসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ক্রমে ভয়াবহ হয়ে উঠছে। দেশটিতে এ ভাইরাসের সংক্রমণে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৩১ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্যামুয়েল রজার কাম্বা। এর আগে ৩৫০ জন সন্দেহভাজন রোগীর মধ্যে ৯১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল, যা এখন বেড়ে ৫১৩ জন সন্দেহভাজনের মধ্যে ১৩১ জনে পৌঁছেছে।

কঙ্গোতে ইবোলায় ১৩১ জনের মৃত্যু; আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা জারি
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দেশটিতে এই সংক্রমণে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ৫১৩ জনেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আফ্রিকায় ইবোলা সংক্রমণ: মহামারির আশঙ্কা, সিডিসির সঙ্গে কাজের আশ্বাস বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
মধ্য আফ্রিকার দেশ গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন 'বুন্দিবুগিও'। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেছে অন্তত ৮০ জনের। ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আড়াইশোর বেশি মানুষের শরীরে। আফ্রিকার রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) আশঙ্কা নতুন স্ট্রেইনের সংক্রমণ রোধে কোনো ভ্যাকসিন না থাকায় দ্রুত মহামারি আকার ধারণ করতে পারে ইবোলা। আফ্রিকান সিডিসির সঙ্গে যৌথভাবে ইবোলা মোকাবিলায় কাজ করার আশ্বাস বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

কঙ্গোয় ইবোলা প্রাদুর্ভাব: বিশ্বজুড়ে জরুরি স্বাস্থ্য অবস্থা ঘোষণা
গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক জরুরি স্বাস্থ্য অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দেশটির ইতুরি প্রদেশে এখন পর্যন্ত ২৪৬ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৮০ জনের। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে তিনজনের মৃত্যু, ঝুঁকিতে আরও কয়েক দেশ
হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত এক ডাচ দম্পতি ও এক জার্মান নাগরিকসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সাধারণত বন্য ইঁদুরের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ালেও বিরল ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে এটি মানুষ থেকে মানুষেও সংক্রমিত হতে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নতুন করে আরও ৩ জনের শরীরে হান্টাভাইরাস শনাক্ত
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূল ভ্রমণে যাওয়া প্রমোদতরীর আরও তিনজনের মধ্যে হান্টাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আগামী কয়েক দিনে আরও কিছু যাত্রী ও ক্রুর মধ্যে হান্টাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংক্রমণ ঠেকাতে জাহাজ থেকে নামা ব্যক্তিদের আইসোলেশনে রাখার পরামর্শ সংস্থাটির। এদিকে স্পেনের উপকূলে সবশেষ দলটিকে উদ্ধারের পর ২৬ জন ক্রু নিয়ে নেদারল্যান্ডসের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে হান্টাভাইরাস কবলিত জাহাজটি।

হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত প্রমোদতরি: স্পেনে যাত্রীদের নামানো শুরু
হান্টভাইরাস সংক্রমণের শিকার একটি প্রমোদতরি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে আনার কাজ শুরু করেছে স্পেন। আজ (রোববার, ১০ মে) তেনেরিফ উপকূলের কাছে নোঙর করা ওই জাহাজটি থেকে প্রথমে স্পেনের নাগরিকদের ছোট নৌকায় করে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়া হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও সরিয়ে নেয়ার কথা রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাব: দেরিতে সাড়া সিডিসির, নেতৃত্বে ডব্লিউএইচও
স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জগামী ক্রুজ জাহাজ এমভি হন্ডিয়াসে হান্টাভাইরাস সংক্রমণের ঘটনায় অবশেষে সাড়া দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে। জাহাজটি আজ (রোববার, ১০ মে) ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর কথা, সেখান থেকে মার্কিন যাত্রীদের নেব্রাস্কার একটি বিমানঘাঁটিতে সরিয়ে নেয়া হবে। দ্য গার্ডিয়ান প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।