হুতিদের অগ্রযাত্রার মুখে দেশটির প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য তারেক সালেহ তার ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসকে নতুন অবস্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সালেহ বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন এলাকাটিকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে হুতিদের অস্ত্র চোরাচালান, মানব পাচার ও মাদক কারবার প্রতিহত করে আসছিল। এই বাহিনী পিছু হটে বাব-এল-মান্দেবের কাছাকাছি ধুবাবে অবস্থান নিয়েছে। ফলে পশ্চিম উপকূলে হুথিদের উপস্থিতি জোরদার হয়েছে, যা তাদের লোহিত সাগরের জাহাজে চাপ সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করে দিল।
তায়েজের সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল আবদুল বাসিত আল-বাহের আরব নিউজকে বলেন, কৌশলগত এই উপকূল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ায় হুতিদের হুমকির ধরন বদলে যেতে পারে। এলাকাটি আন্তর্জাতিক নৌপথের দিকে প্রসারিত হওয়ায় তারা এখন ক্ষেপণাস্ত্রের বদলে হালকা বা মাঝারি অস্ত্র দিয়েই সরাসরি জাহাজ নিশানা করতে সক্ষম হবে। তিনি সতর্ক করে জানান, উপকূলীয় উপস্থিতি ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় অবৈধ পণ্য, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান আবারও বাড়তে পারে। তা ছাড়া লোহিত সাগরের হানিশ দ্বীপপুঞ্জ ও জুকার দ্বীপের মতো কৌশলগত এলাকাগুলোও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
চলতি মাসের শুরুতে তায়েজের পশ্চিমে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও মর্টার হামলার মাধ্যমে অভিযান শুরু করে হুতিরা। আল-কাদাহা সড়ক ধরে অগ্রসর হয়ে তায়েজকে মোখা থেকে বিচ্ছিন্ন করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য বলে সামরিক কর্মকর্তারা মনে করছেন।
ইয়েমেনি সামরিক মুখপাত্র জানান, বৈধ সরকারকে কার্যকর সমর্থন দিয়ে হুতিদের পরাস্ত করাই এই সংকট মোকাবিলার একমাত্র পথ। ব্যর্থ হলে অঞ্চলে ইরানের প্রভাব বাড়বে এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোও এমন পথ বেছে নিতে উৎসাহিত হবে। তিনি আরও বলেন, হুতিদের উন্মুক্ত ময়দানে টেনে আনা গেলে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য তাদের নিশানা করা সহজ হবে।
—আরব নিউজ অবলম্বনে





