সূত্রগুলো জানায়, গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজের মধ্যে অন্তত দুবার ফোনালাপ হয়। লোহিত সাগরে ইরানঘেঁষা হুথিদের হুমকি ও হামলা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা হয়। তবে ওয়াশিংটন সরাসরি হুথিদের ওপর মার্কিন হামলার অনুরোধে সায় দেয়নি। হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওয়াশিংটন সৌদি আরব ও ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। লোহিত সাগরে নৌচলাচলের স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র।
এরই মধ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এ বিষয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার সৌদি আরব সফর করেছেন। অন্যদিকে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে হুথিরা তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। শুক্রবার হুথি যোদ্ধারা বাব-এল-মান্দেব প্রণালির কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পেরিম দ্বীপে পৌঁছে গেছে বলে ইয়েমেন সরকারের সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে চলে গেলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি তেল পরিবহনে বড় সংকট তৈরি করতে পারে।
এর আগে গত জুলাই মাসে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দাবি করেছিল যে তারা একাই হুথিদের মোকাবিলা করতে সক্ষম। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতেহুথিদের সামরিক চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় রিয়াদ তার অবস্থান পরিবর্তন করে মার্কিন সহায়তা চাইলো।





