গত জুলাইয়ে নতুন এই বিধিনিষেধের ঘোষণা দিয়েছিল চীন সরকার। এর আওতায় যেসব চীনা নাগরিক বিদেশে গিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ কিংবা প্রযুক্তি আমদানি-রপ্তানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন করবেন, তাদের ছয় মাস থেকে তিন বছর পর্যন্ত বিদেশে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হতে পারে। এছাড়া ভিসা আবেদনে অসত্য তথ্য দিলে বিদেশি নাগরিকদের এক থেকে পাঁচ বছরের জন্য চীনে প্রবেশে বাধা দেয়া হবে।
সরকারি গোপনীয় তথ্যে প্রবেশাধিকার থাকা জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রে বিদেশে ব্যক্তিগত ভ্রমণের ওপর আগে থেকেই কড়াকড়ি ছিল। তবে নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর হওয়ায় সেই নিয়ন্ত্রণ আরও বিস্তৃত হল।
নতুন এই আইন নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাইওয়ান। তাইওয়ানের মূল ভূখণ্ডবিষয়ক কাউন্সিলের সহ-প্রধান শেং ইউ-চুং বলেন, নতুন আইনটির কারণে আইনশৃঙ্খলা প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর ক্ষমতার অপব্যবহার বাড়তে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতে কর্মরত তাইওয়ানের নাগরিকদের চীনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে তাইওয়ান। তবে বেইজিং এই উদ্বেগ খারিজ করে জানিয়েছে, এই নিয়ম উল্টো সাধারণ ভ্রমণকারীদের আইনি সুরক্ষা বৃদ্ধি করবে।





