জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক ও শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। জ্বালানি সংমিশ্রণে পারমাণবিক শক্তিকে যুক্ত করা সৌদি আরবের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ।
সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ দাবি করে প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সালমান বলেন, ‘আমাদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও স্পষ্ট। এটি কোনো পাহাড়ের ভেতরে বা বাংকারে লুকিয়ে করা হচ্ছে না।’ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এবং আন্তর্জাতিক বিধিবিধান মেনেই এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সম্মেলনে জ্বালানিমন্ত্রী জানান, মদিনা অঞ্চলে প্রায় ১১ কোটি টন ইউরেনিয়াম ঘনত্ববিশিষ্ট কাঁচামালের সন্ধান পেয়েছে সৌদি আরব। সার উৎপাদনের অংশ হিসেবে ইউরেনিয়াম আহরণ ও বিরল খনিজ পদার্থ ব্যবহারের সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করছে রিয়াদ। উল্লেখ্য, সৌদি আরব বিশ্বজুড়ে ফসফেট সার রপ্তানিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।





