বোমারু বিমানগুলো যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন ছিল। ইউরোপে মার্কিন বোমারু বিমানের অন্যতম প্রধান এই ঘাঁটিটি ব্যবহার করেই সম্প্রতি ইরানে হামলা চালিয়েছিল মার্কিন বাহিনী। এর আগে গত সপ্তাহে বিস্ফোরক আইনে ওই বিমানঘাঁটির নিকটবর্তী এলাকা থেকে পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) এর আগে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিকে তাদের হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
বিমান সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য ছিল যে সেখানে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাহলে আমি বিমানগুলো সেখানে কেন রাখব? সেগুলো সরিয়ে নিতে খুব সামান্য অর্থই খরচ হয়। তাই আমরা সেগুলো সরিয়ে নিয়েছি। আর কারা হুমকি দিয়েছে, তাদেরও আমরা চিনি।’ হুমকিটি ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা ইরানের সঙ্গেই যুক্ত।’
এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানান, সর্বোচ্চ সতর্কতার অংশ হিসেবেই বোমারু বিমানগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, তেহরানের অতীত কার্যক্রম বিবেচনায় রেখেই ওয়াশিংটন বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই পদক্ষেপের সঙ্গে ইরানি চক্রান্তের সরাসরি যোগসূত্র থাকার বিষয়টি নাকচ করে জানান, পেন্টাগন নিয়মিতভাবেই প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক শক্তি পুনর্বণ্টন করে থাকে।
এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম জানিয়েছেন, যেকোনো নাশকতার চক্রান্তের পেছনে ইরানের মদদ থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তবে তেহরান এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ভিত্তিহীন সন্দেহের বশে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ভুল জায়গায় দোষারোপ করছে।





