আইসল্যান্ডের রেইকিয়াভিকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রুবিও বলেন, ‘আমার মনে হয় রাশিয়ার উচিত এই বিষয়ে স্পষ্টভাবেই বিশ্বের সঙ্গে আরও তথ্য প্রকাশ করা। আমরা ঘটনাটির ওপর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে এবং প্রতি ঘণ্টায় নজর রাখছি।’
পরিস্থিতি যদি আশঙ্কার চেয়েও বেশি গুরুতর রূপ নেয়, তবে রাশিয়াকে স্বাস্থ্যগত সহায়তার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তবে কোনো পদক্ষেপ নেয়ার আগে প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াশিংটনের আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া প্রয়োজন।
এর আগে গত শুক্রবার সাইবেরিয়ার প্লেগ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক নারী কর্মী রহস্যজনক পরিস্থিতিতে অসুস্থ হয়ে মারা যান। এর পরপরই সতর্কতা হিসেবে কয়েক ডজন মানুষকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয় এবং স্থানীয়দের মাঝে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়। তবে রুশ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে পরিস্থিতি পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এ ঘটনাকে রাশিয়ার জন্য একটি ‘বড় সমস্যা’ হিসেবে আখ্যা দেন এবং মস্কোকে যেকোনো ধরনের সহায়তার প্রস্তাব দেন।





