সোমবার ওহাইওর ইয়ংসটাউনে এক নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা হয়তো নেতাদের ক্ষেত্রে বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি, কারণ এখন আমরা বুঝতেই পারছি না কার সঙ্গে আলোচনা করছি।’ তিনি আরও দাবি করেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কেউই ইরানের প্রেসিডেন্ট পদে বসতে চাইছেন না। তবে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দেন, কোনো অবস্থাতেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেয়া হবে না।
শীর্ষ নেতৃত্বের শূন্যতার কারণে আলোচনা জটিল হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন সামরিক অভিযানে ইরানের বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরানের নৌবাহিনীর ১৫৯টি জাহাজের সবগুলোই এখন ‘সমুদ্রের তলদেশে শান্তিতে রয়েছে’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে একই উদ্বেগের কথা জানান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, ইরানি নেতৃত্বের ভেতরে বর্তমানে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন নিশ্চিত হতে পারছে না। ভ্যান্স জোর দিয়ে বলেন, সংঘাতের অবসান ঘটাতে হলে যেকোনো চুক্তির আওতায় তেহরানকে তাদের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে।





