এর আগে বুধবার সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ জারির অভিযোগ তোলেন দীপকে। মহারাষ্ট্রের নাগপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে দলের নেতারা কী অপরাধ করেছেন?
মঙ্গলবার সকালে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেস কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ব্যারিকেড ভেঙে অননুমোদিতভাবে যন্তর মন্তরে ঢুকে স্লোগান দেন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। এরপরই তাদের আটক করে পুলিশ।
বুধবার সকালে তাদের বিশেষ নির্বাহী আদালতে হাজির করা হলে পুলিশি প্রতিবেদন ও শান্তিভঙ্গের ঝুঁকি বিবেচনা করে তাদের পাঁচ দিনের জন্য তিহার জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, জামিনে মুক্তি পেলে তারা পুনরায় আইন ভঙ্গ করতে পারেন এবং অন্যদের আন্দোলনে প্ররোচিত করতে পারেন।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনে (এসআইআর) অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেস কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তরুণদের নেতৃত্বাধীন এই সংগঠন এবং বিরোধী দলগুলোর টানা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রাজধানী দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
 founder Abhijeet Dipke-1-768x402.webp)




