সমাবেশে ট্রাম্প দাবি করেন, গত বছর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চলাকালে ১১টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। সে সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি তাদের বলেছিলাম, তোমরা যদি এমনটা করতে থাকো, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারবে না। আমি উভয়ের ওপর ২৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিশাল শুল্ক আরোপ করব, যাতে কোনো ব্যবসাই করতে না পারো।’ ট্রাম্প আরও বলেন, তার এই হুমকির পর উভয় দেশ ক্ষুব্ধ হলেও গোলাগুলি বন্ধ করে এবং সংঘাতের অবসান ঘটে। এই পদক্ষেপে জাতিসংঘের কোনো সহায়তা নেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংকট সমাধানের দাবি তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আটটি যুদ্ধ মীমাংসা করেছি। কিন্তু আমি কি নোবেল পুরস্কার পেয়েছি? না।’
তবে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যকার যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের মধ্যস্থতার দাবি শুরু থেকেই নাকচ করে আসছে ভারত। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বারবার স্পষ্ট করা হয়েছে, কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই দুই দেশের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমেই সামরিক সংঘাত বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণহানির ঘটনার পর মে মাসে পাকিস্তান ও পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের অবকাঠামো লক্ষ্য করে অপারেশন সিন্দুর চালায় ভারত। ভারতের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের সামরিক অভিযানের পর পাকিস্তানের অনুরোধেই ১০ মে উভয় পক্ষ সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত করেছিল।
—এনডিটিভির প্রতিবেদন অবলম্বনে





