‘জেন জি হ্যাজ গট দিস!’ বা তরুণদের এই নতুন প্ল্যাটফর্মটি অতিরিক্ত মূল্যস্ফীতি, জরাজীর্ণ স্কুল-কলেজ, পরিবেশগত উদ্বেগ এবং পুনরায় বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা চালুর সম্ভাব্য উদ্যোগের বিরুদ্ধে রাজপথে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দেশজুড়ে বিপুল পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বার্লিনের বিলাসবহুল বিপণিবিতানগুলোর সামনে প্রতিরক্ষামূলক কাঠের বোর্ড দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ফ্রান্সে ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনকারীদের ‘তৃতীয় ধাপের’ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। জনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য দেশজুড়ে ৭০ হাজার অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে ম্যাক্রোঁ সরকার। হ্যালোউইনের রাতে সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা এড়াতে মুখ ঢেকে রাখা এবং ভুয়া অস্ত্র বহনে কঠোর জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে প্যারিস পুলিশ। ফ্রান্সে ইতঃপূর্বে আন্দোলন চলাকালে আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং এক হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য আহত হন।
ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকার তরুণদের ক্ষোভ প্রশমিত করার চেষ্টা করলেও বিক্ষোভের উত্তাপ কমেনি। আগামী ৫ নভেম্বর ফ্রান্সে এক বৃহৎ ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
—সিএনএনের প্রতিবেদন





