প্রাণঘাতী ভাইরাস ইবোলা। এ পর্যন্ত ১৬ বার এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকায়। এ রোগে আক্রান্তদের মাঝে মৃত্যুর হার প্রায় ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত।
সবশেষ গেল ডিসেম্বরে কঙ্গোতে এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে এলেও আবার পাঁচ মাস পর কঙ্গোতে নতুন করে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে ইবোলা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই মরণব্যাধিতে মৃত্যু হয়েছে অর্ধশতাধিক মানুষের। শুধু তাই নয়, প্রায় আড়াইশো জনের মধ্যে এ রোগের উপসর্গ পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন:
এছাড়া প্রতিবেশী রাষ্ট্র উগান্ডায় ইবোলায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনই সামাল দিতে না পারলে পাশের দেশ সুদানেও তা ছড়িয়ে পড়বে বলে শঙ্কা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের। ইবোলা ভাইরাসে নতুন প্রাদুর্ভাবের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও।
১৯৭৬ সালে এই কঙ্গোতেই ইবোলা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়েছিল। ধারণা করা হয়, বাদুড় থেকে মানুষের শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থের সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়। এর ফলে শরীরে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অকেজো হয়ে যায়।
ইবোলা ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাংসপেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা এবং গলা ব্যথা। অবশ্য এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিকার না থাকলেও আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।





