চারিদিকে অন্ধকার, বাসের ভেতর থেকে বাইরে বেরোলেই নির্ঘাত মৃত্যু, নেই পালানোর কোনো পথ। শুনতে অবাক লাগলেও, হ্যালোইন ঘিরে দক্ষিণ কোরিয়াজুড়ে এমনই সব বিচিত্র আয়োজনে ভয় আর আতঙ্ক যেন মিলেমিশে একাকার।
দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে হ্যালোইন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ‘জম্বি অ্যাটাক’ কর্মসূচি। ‘ট্রেন টু বুসান’ চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এটি আয়োজন করা হয়।
হ্যালোইনের এই বিশেষ আয়োজনটি দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। রোমাঞ্চকর ও ভৌতিক অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে প্রায় এরইমধ্যে এক হাজারেরও বেশি দর্শনার্থী টিকিট বুক করেছেন।
চলন্ত ট্রেনের ভেতর জম্বি আক্রমণের আতঙ্ক এবার বাসের মধ্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে হঠাৎ করেই জম্বিরা বাসের ভেতরে আতঙ্কিত যাত্রীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তৈরি হয় ভয় ও চরম উত্তেজনা। সেখান থেকে বাঁচার আশায় যাত্রীরা পার্কে নেমে আসলে, সেখানেও অন্ধকারের আড়াল থেকে জম্বিরা তাদেরকে তাড়া করে। পার্কের অন্ধকারে তাদের জন্য ওত পেতে থাকে আরও একদল জম্বি।.
আরও পড়ুন: সৌদি-হুথি সংঘাতে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য; হরমুজ নিয়ে অনড় ইরান
বাসের যাত্রীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘জম্বিদের দেখে একেবারে বাস্তব মনে হচ্ছিলো। দেখে মনে হচ্ছিলো, তারা সরাসরি সিনেমার পর্দা থেকে বেরিয়ে এসেছে।’
আয়োজকদের মধ্যে একজন বলেন, ‘জম্বি নিয়ে এমন কোনো সিনেমা নেই, যা আমি দেখিনি, তাদের সম্পর্কে জানার জন্য। জম্বির চরিত্রে অভিনয় করা ভীষণ কঠিন। তবে আমার অভিনয় দেখে মানুষ যখন আতঙ্কে চমকে ওঠে, তখন নিজের পরিশ্রমের জন্য গর্ববোধ করি।’
অন্য একজন বলেন, ‘ট্রেন টু বুসান—যেহেতু দ্রুতগতির ট্রেনে জম্বিদের নিয়ে তৈরি সিনেমা, তাই আমাদের মনে হয়েছে, চলন্ত বাসের সঙ্গে চলন্ত ট্রেনের কিছুটা মিল রয়েছে। তাই ট্রেনের পরিবর্তে বাস কেন্দ্র করে গল্পটি সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'
ভ্রমণপিপাসু ও হররপ্রেমীদের জন্য সিউলের রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি এমন আয়োজন এরইমধ্যে ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। হ্যালোইন সামনে রেখে বিচিত্র এই আয়োজন চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।




 or Benjamin Netanyahu (right) are projected to win enough seats for a majority-320x167.webp)
