আজ (রোববার, ২১ জুন) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও অবজারভারের বরাত দিয়ে এই খবরটি সামনে আসে।
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে রেকর্ডগড়া ভূমিধস জয় পেয়েছিল লেবার পার্টি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার দুই বছর যেতে না যেতেই তার জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ব্রিটিশ ভোটারদের একটি বড় অংশের ধারণা, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সংস্কারের যে প্রতিশ্রুতি স্টারমার দিয়েছিলেন, তা পূরণে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।
গত কয়েক মাস ধরেই তার প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে টানাপোড়েন চলছিল, যা গত শুক্রবার (১৯ জুন) চূড়ান্ত রূপ নেয়। এদিন লেবার পার্টির ভেতরে স্টারমারের অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম পার্লামেন্টের একটি উপ-নির্বাচনে জয়লাভ করেন। এ জয়ের ফলে দলীয় প্রধান হিসেবে স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানোর পথ সুগম হলো বার্নহামের জন্য।
আরও পড়ুন
অবজারভার তাদের প্রতিবেদনে আরও জানিয়েছে, উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করবেন কি না—সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে কিয়ার স্টারমার তার স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। লেবার পার্টির উচ্চপর্যায়ের নেতারা এখন আগামীকালের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে একটি স্পষ্ট ও চূড়ান্ত বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন।
এর আগে, গত শুক্রবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে কিয়ার স্টারমার বলেছিলেন, তার নেতৃত্বের ওপর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ আসে, তবে তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাবেন। একই সঙ্গে তিনি নিজ দল লেবার পার্টির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, নিজেদের মধ্যে কাদা ছড়াছড়ি ও লড়াই করে যেন ঐতিহ্যবাহী এ দলটিকে ছিন্নভিন্ন করা না হয়।
লন্ডনের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলের ভেতরে কিয়ার স্টারমারের ওপর চাপ এখন তুঙ্গে। সোমবার যদি তিনি সত্যিই পদত্যাগের ঘোষণা দেন, তবে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে এক নতুন সংকটের সৃষ্টি হতে পারে।





