গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে—ওয়াশিংটনের বারবার দাবি সত্ত্বেও পরিস্থিতি বলছে উল্টো কথা। জাহাজ চলাচল পর্যবক্ষেণকারী প্ল্যাটফর্ম কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গেল ১০ দিনে প্রতিদিন গড়ে ১০টি পণ্যবাহী জাহাজ প্রণালিটি দিয়ে যাতায়াত করেছে। গেলো মে মাসে হরমুজে ট্যাঙ্কারের ওপর মার্কিন ও ইরানি হামলার পর এটাই সর্বনিম্ন।
এদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে এই সংকটের সমাধান না হলে পুরো শিল্প বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে আশঙ্কা করছেন কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজেদ আল-আনসারি। মার্কিন গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, হরমুজ প্রণালি পুরনায় খুলে দেয়াই এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
মাজেদ আল-আনসারি বলেন, ‘এই মুহূর্তে দুইটি প্রধান বিষয়ে অগ্রাধিকার পাচ্ছে। প্রথমত, প্রণালিটি উন্মুক্ত রাখা এবং ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের মানুষের ওপর থেকে অর্থনৈতিক চাপ অপসারণ করা। দ্বিতীয়ত, এই অঞ্চলে কাতার কিংবা ইরানের ওপর হামলাসহ কোনো সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি না ঘটে , এই বিষয়টাও নিশ্চিত করা। তবে তা বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিতভাবে একটি আঞ্চলিক উদ্যোগ প্রয়োজন।’
আরও পড়ুন:
এদিকে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে মার্কিন মিত্র সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা ও শহরগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের তেহরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী। এতে আহত হয়েছেন অনেকেই। অন্যদিকে রাজধানী সানা পুনরুদ্ধারে হুতি গোষ্ঠীর সঙ্গে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে রকেট, ড্রোন ও বিমান হামলার পাশাপাশি স্থল অভিযান চালাচ্ছে সরকারি বাহিনী। পশ্চিম তাইজে আকস্মিক হামলা চালিয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে নিয়েছে হুতিরা।
অন্যদিকে কথিত যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে টানা তৃতীয় দিনের মতো হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী। এতে হতাহত হয়েছেন অনেকেই। হামলা চলমান গাজা ও পশ্চিমতীরেও। এছাড়া সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুনেইত্রার বারেকা গ্রামে প্রবেশ করেছে আইডিএফ। এসময় তারা একটি বাড়িতে অভিযান চালায় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।




