যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: সংগৃহীত
0

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কথা ভাবছেন না বলে জানিয়েছেন মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্ল। স্থানীয় সময় গতকাল (মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে তিনি এ তথ্য জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কার্ল জানান, ট্রাম্প মনে করেন না যে এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কোনো প্রয়োজন আছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, আগামী দুই দিন আপনারা দারুণ কিছু দেখতে যাচ্ছেন। আমি সত্যিই তেমনটা মনে করি।’

কার্লের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে—এ সংঘাতের অবসান দুভাবে হতে পারে—হয় আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমাধান হবে, নতুবা সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘যেকোনো পথেই এর সমাপ্তি ঘটতে পারে। তবে আমি মনে করি একটি সমঝোতায় পৌঁছানোই শ্রেয়। কারণ, এতে তারা পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে। এখন সেখানে সত্যিই এক ভিন্ন শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান। যা-ই হোক না কেন, আমরা উগ্রপন্থীদের সরিয়ে দিয়েছি। তারা শেষ, এখন আর আমাদের সঙ্গে নেই।’

আরও পড়ুন:

বিশ্বমঞ্চে নিজের ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্প এক ‘অসাধারণ দাবি’ করেছেন বলে উল্লেখ করেন কার্ল। ট্রাম্পের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট না থাকলে পৃথিবী আজ টুকরো টুকরো হয়ে যেত।’

এর আগে, গতকাল ট্রাম্প বলেন, আগামী দুই দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে কিছু একটা ঘটতে পারে। আমরা সেখানে (পাকিস্তান) যাওয়ার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী।’

এর আগে গত শনিবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ দুই দেশের প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক হয়। তবে সেই আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। এদিকে, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরান ও পাকিস্তানের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার বিষয়ে তেহরান কোনো ইঙ্গিত দেয়নি।

এএইচ