পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মার্কিন এ হামলাকে যৌক্তিক করার জন্য যেসব অজুহাত দেয়া হচ্ছে, তা অগ্রহণযোগ্য। এখানে কূটনীতির বদলে আদর্শবাদী শত্রুতা প্রাধান্য পেয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ভেনেজুয়েলা রাশিয়ার মিত্র রাষ্ট্র এবং তারা সংলাপের পক্ষেই ছিল। আমরা ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি আমাদের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘বড় পরিসরে সামরিক’ হামলা চালিয়ে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আজ (শনিবার, ৩ জানুয়ারি) ফ্লোরিডার পাম বিচে অবস্থিত মার-আ-লাগো রিসোর্টে এ অভিযান নিয়ে তিনি বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলন করবেন।
আরও পড়ুন:
ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ জানান, মার্কিন হামলায় ভেনেজুয়েলার জনবসতিপূর্ণ শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এ হামলায় কতজন আহত ও নিহত হয়েছে তা বর্তমানে বের করার কাজ চলছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটকের পর মাদুরোর ‘জীবিত’ থাকার প্রমাণ চেয়েছেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
প্রেসিডেন্ট মাদুরো বা ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস কোথায় আছেন এ বিষয়ে ভেনেজুয়েলা সরকার এখনও জানেনা বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। ডেলসি রদ্রিগেজ বলেন, ‘সরকার তাদের উভয়েরই "তাৎক্ষণিক জীবিত থাকার প্রমাণ" দাবি করেছে।’





