ওসি ওমর কাইয়ুম বলেন, ‘মামলার এজাহারের প্রেক্ষিতে ধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৪ জন এবং মীমাংসার নামে বিচারকার্যে সহায়তাকারী সাবেক মেম্বারসহ ৩ জনসহ ৭ আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। পলাতক বাকী দুই আসামিকেও দ্রুতই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’
নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান ভুইয়া বলেন, ‘আইনজীবী সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ মামলায় কোনো আইনজীবী আসামি পক্ষকে আইনি সহায়তা দেবে না, রাষ্ট্রপক্ষকে সার্বিক সহায়তা করবে। পুলিশ আন্তরিক হয়ে দ্রুত মামলাটির চার্জশিট দিলে ৬ মাসের মধ্যে মামলাটি শেষ করতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী। এ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’
আরও পড়ুন: নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: ভারতে পালানোর পরিকল্পনা আসামির, গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার
এর আগে, গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ও শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুইদিনে ৭ আসামির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওমর কাইয়ুম। আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বেলা সাড়ে ১১টায় নরসিংদী জজ কোর্টের ২য় জুডিশিয়াল আদালতে তোলা হয় গ্রেপ্তার ৭ আসামিকে। বাদী পক্ষে স্ব-প্রণোদিত হয়ে আইনজীবী আদালতে দাঁড়ালেও আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে নূরার নেতৃত্বে ছয়জন বখাটে কিশোরী আমেনাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ১৫ দিন পর বখাটে চক্রটি কিশোরী আমেনাকে তার বাবার সামনে থেকেই ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে পুনরায় গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দীর একটি সরিষা খেতে ফেলে রাখে।





