প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হলে তারা খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি ঝুকবে ও উৎসাহিত হবে। সরকার সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। সঠিক পরিকল্পনা বজায় থাকলে আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের খেলাধুলা সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ক্রীড়াক্ষেত্রের সামাজিক প্রভাব তুলে ধরে তিনি মন্তব্য করেন, সব সামাজিক ও মতাদর্শিক বিভেদ ভুলে মানুষকে এক সুতোয় বাঁধার অনন্য সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে খেলাধুলা।
উল্লেখ্য, গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের আয়োজনে ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্টের এ আসরে ফুটবল, ক্রিকেট ও টেনিসসহ মোট ১৩টি ক্রীড়া ও প্রতিযোগিতামূলক ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে। এবারের স্পোর্টসফেস্টে ২৪টি ক্লাবের ১ হাজার ২০০ জনের বেশি পেশাদার ও উদীয়মান ক্রীড়াবিদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।





