নিয়োগের পর এখন টিভিকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘কারো ন্যায়বিচারে বাধা দেব না।’ দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্তে ব্যারিস্টার কাজল আবেগাপ্লুত হয়ে মায়ের কথা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কথাও মনে পড়েছে বলে জানিয়েছেন।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনবার (২০২০-২১, ২০২১-২২, ২০২২-২৩) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত সম্পাদক ছিলেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য ও এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করছেন।
১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টে প্রাকটিসের অনুমতি পান এবং ২০০৮ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০২৩ সালে তিনি আপিল বিভাগ থেকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি পান।
আরও পড়ুন:
ব্যারিস্টার কাজল বহু গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ত্রয়োদশ ও পঞ্চদশ সংশোধনী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বৈধতা এবং জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার শুনানিতে তার সাবমিশন বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
তিনি সাংবাদিকতা ও কূটনীতিতে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ২০০৩-২০০৬ সালে বাংলাদেশ হাই কমিশন, লন্ডনে কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম পাশ করেন। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন ও সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে আইনশিক্ষা অর্জন করেন এবং লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-এট-ল’ সনদ পান।
ব্যারিস্টার কাজল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে রাজনীতিতেও সক্রিয়।
এর আগে, গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।





