আদালত সূত্রে জানা যায়, বিকেলে জিয়াউল হক শাহীন সখীপুরের কুতুবপুরের একটি মামলার বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ আ.ন.ম ইলিয়াসের সঙ্গে কথা বলতে যান। বিচারকের পিএ বিষয়ে জানতে চাইলে জিয়াউল হক শাহীন সরাসরি জজের সঙ্গে কথা বলতে চান।
এক পর্যায়ে দলীয় প্রভাব খাটান। পরে জোর করে তিনি জজের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। পরে পুলিশ ডেকে জিয়াউল হক শাহীনকে আটকের নির্দেশ দেন বিচারক। পুলিশ আটকের পর শহর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহীন আকন্দসহ দলীয় নেতারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
আরও পড়ুন:
নিজের ভুল স্বীকার করে জিয়াউল হক শাহীন জেলা ও দায়রা জজ আ.ন.ম. ইলিয়াসের মুচলেকা দেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
জিয়াউল হক শাহীন বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম তিনি সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট। জেলা জজ জানলে আমি তার কাছে যেতাম না। আমার ভুল হয়েছে।’
টাঙ্গাইল আদালতের পরিদর্শক মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, লিখিতভাবে মুচলেকা দেয়ার পর জিয়াউল হক শাহীনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।





