আজ (বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এ তথ্য জানান।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান (৫২)। তিনি ২৫ এপ্রিল থেকে কারাগারে ছিলেন।
২০১৬ সালে তনু হত্যাকাণ্ডের সময় হাফিজুর রহমান কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। পরে ২০২৩ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন। চলতি বছরের ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করার আগে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
আরও পড়ুন:
উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জামিননামা কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন সোহাগী জাহান তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসসংলগ্ন ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে তদন্তাধীন রয়েছে।





