হাইকোর্টে দাখিল করা প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব শিশুদের মায়েরা বেশিরভাগই মাদক মামলার আসামি। তাদের কেউ কেউ সাজা খাটছেন, আবার কারো বিরুদ্ধে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তর জানায়, অপরাধী সংশোধন ও পুর্নবাসন সমিতির মাধ্যমে এসব শিশুদের নিয়মিত খোঁজ খবর নেয়া হয়।
এছাড়াও খেলনা, পোশাক ও শিশু খাদ্যসহ শিশুদের অন্যান্য সহায়তা দেন তারা। এসব শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থে পছন্দের নিকটাত্মীয়দের কাছে অথবা সরকারি শিশু পরিবারের রাখার সুপারিশও করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
আরও পড়ুন:
এর আগে গেল ১৫ জুন কারাগারে মায়েদের সঙ্গে থাকা শিশুদের সংখ্যা, বয়স ও সার্বিক অবস্থা জানিয়ে দু’মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটির পর এই রিটের চূড়ান্ত শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন রিটকারি আইনজীবী ব্যারিস্টার কামরুন নাহার দিপা।





