আজ (বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— ছাত্রলীগের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য মো. জালাল উদ্দিন (৩২), ভালুকা ছাত্রলীগের হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি মো. নাঈম হাসান ডালিম (৩২), একই ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সদস্য মো. মাহমুদুল হাসান মামুন (৩৪) এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সদস্য মো. আল-আমিন (৩৫)।
আরও পড়ুন:
মোহাম্মদপুর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, বুধবার মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যানের ‘সি’ ব্লক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যান মেইন রোডের হাজী দিল মোহাম্মদ অ্যাভিনিউয়ের ৩৯ নম্বর বাসার গ্যারেজের ভেতরে তারা সরকারবিরোধী কার্যক্রম ও নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছিলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী বৈঠক থেকে ছত্রভঙ্গ হয়ে বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা ২০-৩০ জন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।





