এদিকে, যমুনার নিরাপত্তায় রাজধানীর কাকরাইল মসজিদ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি মোতায়েনের পর ডিএমপির পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হলো।
এর আগে, নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। ডিএমপি কমিশনারের সরাসরি নির্দেশে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হলেও আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরানো যায়নি।
আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার প্রবেশমুখে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ শুরু করে।
আরও পড়ুন:
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে টি-শার্ট ও প্যান্ট পরিহিত অবস্থায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ডিএমপি কমিশনার। তিনি আন্দোলনকারীদের সরাতে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের নির্দেশ দেন। তবে তাতেও আন্দোলনকারীরা সড়ক ছাড়েননি।
আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে তারা কর্মসূচি থেকে একচুলও সরবেন না। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ আবারও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে এলাকায় হইচই ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিয়ারগ্যাসের পরও অনেক আন্দোলনকারী এলাকা ত্যাগ করেননি।
এর আগে, সকালে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জড়ো হয়ে আন্দোলন শুরু করেন সরকারি চাকরিজীবীরা। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে যমুনার দিকে যাত্রা করলে পথে পুলিশের বাধা, ব্যারিকেড এবং জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।





