আরও পড়ুন:
১. এনআইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে রাখা (Keep NID/National Identity Card)
ভোটকেন্দ্রে নিজের পরিচয় দ্রুত নিশ্চিত করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID Card) বা স্মার্ট কার্ডের ফটোকপি সাথে রাখুন। যদিও এনআইডি বাধ্যতামূলক নয়, তবুও এটি থাকলে আপনার ভোটার সিরিয়াল শনাক্ত করা সহজ হয় এবং দ্রুত ভোটদান (Quick Voting) সম্ভব হয়।
২. ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জেনে নেওয়া (Find Voting Center & Voter Number)
আপনি কোন কেন্দ্রের ভোটার এবং আপনার কক্ষ নম্বর কত, তা আগেভাগেই জেনে নিন। গুগল প্লে-স্টোর থেকে স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি (Smart Election Management BD) অ্যাপটি ডাউনলোড করে এনআইডি নম্বর দিলেই আপনার যাবতীয় তথ্য পেয়ে যাবেন। এছাড়া ইসি-র হেল্পলাইন ১০৫ (Helpline 105) নম্বরে কল করেও তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়া সম্ভব।
৩. ভোটগ্রহণের সময়সূচি (Polling Time Schedule)
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী ভোটগ্রহণ চলবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে যারা লাইনে দাঁড়াবেন, তারা সময় শেষ হলেও ভোট দিতে পারবেন। দেরি না করে দুপুরের আগেই ভোটদান সম্পন্ন করা নিরাপদ।
আরও পড়ুন:
৪. ব্যালট পেপার শনাক্তকরণ ও সঠিক ভাজ (Ballot Paper Identification & Proper Folding)
এবারের নির্বাচনে আপনি দুটি ব্যালট পেপার পাবেন:
- সাদা ব্যালট (White Ballot): জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য।
- গোলাপি ব্যালট (Pink Ballot): সাংবিধানিক গণভোটের (Constitutional Referendum) জন্য।
সংসদ নির্বাচনের জন্য পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে এবং গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ বক্সে সিল মারুন। সিল মারার পর সিলের কালি যেন অন্য ঘরে না লাগে সেজন্য প্রথমে লম্বালম্বি (Vertical Fold) এবং পরে আড়াআড়ি (Horizontal Fold) ভাবে ভাজ করে ব্যালট বক্সে ফেলুন।
আরও পড়ুন:





