প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে মানুষের নিরবিচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আমরা বন্ধপরিকর। এ জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো যাত্রীভাড়া না বাড়িয়ে সেবার মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।’
তিনি বলেন, ‘নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ফেরি ও লঞ্চঘাটের অবস্থানও অনেক সময় বদলে যায়। তবে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে প্রতিটি রুট সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।’
আরও পড়ুন:
প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, ‘আমরা খুবই আশাবাদী যে আগামীর ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে। মানুষ নির্বিঘ্নে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবে।’
এসময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





