শুক্রবার সকালে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ভোলার উদ্দেশে কয়েকটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। বেলার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকটা ফাঁকা হয়ে গেছে সদরঘাট। ঘরমুখো মানুষের ব্যবস্থাপনা নিয়ে তেমন কোনো বড় ধরনের অভিযোগ নেই। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে নৌপথে এবার তুলনামূলক স্বস্তি রয়েছে। তবে যাত্রী কম থাকায় কেবিন ফাঁকা থাকছে বলে দাবি লঞ্চ মালিকদের।
সকাল থেকেই টার্মিনালে রয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি সার্বিক বিষয়ে তদারকি করেন। পরে তিনি জানান, বুধবারে (১৮ মার্চ) সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
রাজিব আহসান বলেন, ‘বুধবারে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে ডুবুরিদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
ঘরমুখো মানুষদের নিরাপদে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে, এখন নিরাপদে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এবার বড় ধরনের কোনো অনিয়ম সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘটেনি।’
আরও পড়ুন:
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন করেছেন র্যাবের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক। সকালে তিনি টার্মিনালে লঞ্চের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে সাংবাদিকদের জানান, টার্মিনালে নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি নেই।
র্যাবের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কর্নেল ইফতেখার আহমেদ বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে নৌপথে কোনো ধরনের নাশকতার কোনো সম্ভাবনা নেই। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি নেই৷ ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে তৎপর রয়েছে র্যাব, কোনো অনিয়ম পেলে ছাড় দেয়া হবে না।’





