কারা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে বন্দিদের জন্য তিন বেলা উন্নত মানের খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু বা খাসির মাংস, মুরগির রোস্ট, সালাদ, মিষ্টি ও পান-সুপারি। সকালে পরিবেশন করা হবে পায়েস বা সেমাই ও মুড়ি, আর রাতে থাকবে ভাত, আলুর দম ও রুই মাছ ভাজা।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত–উল ফরহাদ বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে প্রতি বছরই বন্দিদের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।’
কারাসূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কারাগারগুলোতে ১৭৯ জন ডিভিশন বা বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ৩৪ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ৪২ জন সংসদ সদস্য ও ৯৮ জন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা আছেন। এছাড়া ডিভিশন না পাওয়া আরও কিছু ভিআইপি বন্দিও রয়েছেন। সবাই ঈদের বিশেষ খাবারের আওতায় থাকবেন।
আরও পড়ুন:
সাধারণ সময়ে বন্দিদের সকালে রুটি, হালুয়া ও ডিম; দুপুরে ভাত, ডাল ও সবজি এবং রাতে ভাত, ডাল, মাছ বা মাংস দেয়া হয়। তবে ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী খাবার পেয়ে থাকেন।
ঈদ উপলক্ষে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও বাড়ানো হয়েছে। সাধারণত ১৫ দিন পরপর সাক্ষাৎ মিললেও ঈদের তিন দিন (২১ থেকে ২৩ মার্চ) প্রতিদিন একবার করে দেখা করতে পারবেন স্বজনরা। এসময় একবার বাড়ির খাবার দেয়ার সুযোগ থাকবে, যা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বন্দিদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।
এছাড়া একজন বন্দি সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট স্বজনদের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে পারবেন।
কারাগারের ভেতরেই অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত। পাশাপাশি বিকেল ও সন্ধ্যায় কিছু কারাগারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজন থাকবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত সাপেক্ষে এসব আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে কারা অধিদপ্তর।





