মন্ত্রী আযম খান বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য প্রয়াত আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা অনেক আন্দোলন, সংগ্রাম করেছি। অনেক ত্যাগ ও রক্ত দিয়েছি। বিএনপি ১৮ বছর গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই গণতন্ত্রকে গুরুত্ব দেবো।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রাণের নেতা তারেক রহমান আমাকে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়কে এগিয়ে নিয়ে আমার প্রতি যে প্রধানমন্ত্রীর আস্থা ছিলো, তার প্রতিদান দেবো।’
আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী বলেন, ‘২৬ মার্চ জাতীয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা সফলভাবে পরিচালনা করতে পারবো। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় আগামী দিনে কীভাবে সুষ্ঠু ও সফলভাবে চালিত হবে, সে বিষয়ে আমরা পরিকল্পনা করছি।’
৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ ও ২৪ এর অভ্যুত্থান নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমেই আমাদের বাংলাদেশ। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কাজ করে। ২৪ যে গণঅভ্যুত্থান, যারা শহিদ হয়েছেন, যারা পঙ্গু হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় তাদের নিয়েও কাজ করে। তাদের বিষয়েও আমরা খুব আন্তরিক। এটা নিয়েও আমরা কাজ করছি। তাদের বিষয়েও দেখভাল করার দায়িত্ব কর্তব্য আমাদের রয়েছে।’
এসময় পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সর্বস্তরের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





