স্বাধীনতার বহুমাত্রিক রূপ অক্ষুণ্ণ রাখতে কতটা প্রস্তুত দেশের সামরিক বাহিনী? জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে, তারই নমুনা দেখালো তিন বাহিনীর পাশাপাশি আধাসামরিক বাহিনীগুলোর সদস্যরা।
ছন্দবদ্ধ পদচারণা, সম্মুখে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি। গন্তব্য একটাই- দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিচল থাকা।
এবছর কুচকাওয়াজের কমান্ডারের দায়িত্বে থাকবেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং সাভার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল আসাদুল হক। আধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়া নেবুলার পিঠে চড়ে প্যারেড গ্রাউন্ডে অংশ নেবেন তিনি। সালাম জানাবেন রাষ্ট্রপতির প্রতি।
আরও পড়ুন:
প্যারেডের পর চলবে আধুনিক সমরাস্ত্র প্রদর্শনী। জানান দেয়া হবে সামরিক শক্তিমত্তার। আধুনিক ট্যাংক, ট্যাংক বিধ্বংসী মিসাইল, উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত যান্ত্রিক বহরের মাধ্যমে বার্তা দেয়া হবে- এ দেশ মাথা নোয়াবার নয়।
প্রদর্শনীর শেষভাগে ফ্লাইপাস্টে অংশ নেবেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা। আকাশে ক্ষিপ্রতা দেখাবে আধুনিক যুদ্ধবিমান মিগ-২৯। থাকবে সামরিক হেলিকপ্টারের মহড়া। যুদ্ধকালীন প্যারাট্রুপারদের অবতরণের নমুনাও দেখা যাবে এদিন।
সবশেষে এরোবেটিক ডিসপ্লের মাধ্যমে আকাশপথে যুদ্ধের সক্ষমতার ঝলক দেখাবে বাহিনীর দক্ষ বৈমানিকরা।





